শিরোনাম::
প্রতিবাদ ও তীব্রনিন্দা আন্ডারগ্রাউন্ডে থেকে রোহিঙ্গাদের সাথে মিলে ইয়াবা সিন্ডিকেট রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে জকির এর। চট্টগ্রামে এমপিপুত্রের গাড়ির ধাক্কায় পুলিশ বাঁচলো অল্পে, গভীর রাতে থানায় হল মীমাংসা গোপনে ইয়াবা ব্যবসা করে কোটিপতি একসময়ের ডাকাত ও রিকশা চালক শামশু হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ ফাড়িঁর থ্রি হুইলার মালিক সমিতি ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অসহায় রোগীর পাশে”আলোর প্রদীপ বন্ধু ফোরাম উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ স্বেচ্ছায় পরিষ্কার করেছে একদল স্বপ্নবাজ তরুণ! কক্সবাজার সরকারি কলেজে স্থাপন হচ্ছে বিএনসিসি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়ার্টার টেকনাফে বিজিবির সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১: ‘কক্সবাজার নিউজ.কম এ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ’
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন

শীতে সমুদ্রের হাতছানি

বিনোদন ডেস্ক/উখিয়া নিউজ টুডে
আপডেট : শনিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২০

শীত ভ্রমণের মৌসুম। আর তাইতো অবকাশ যাপনে অনেকে যান পাহাড়ে। কেউবা সাগরে। সাগরের তুলনায় পাহাড়ে শীত তুলনামূলক বেশি। পাহাড় পেখম মেলে বর্ষায়। তাই বর্ষায় পাহাড়ের আলাদা সৌন্দর্য চোখে পড়ে। অন্যদিকে শীতের ছুটিতে সমুদ্র দর্শন হতে পারে ভ্রমণের অন্যতম গন্তব্য।

কক্সবাজারঃ

সারি সারি ঝাউবন, বালুর নরম বিছানা, সামনে বিশাল সমুদ্র। কক্সবাজার গেলে সকালে-বিকেলে সমুদ্রতীরে বেড়াতে মন চাইবে। নীল জলরাশি আর শোঁ শোঁ গর্জনের মনোমুগ্ধকর সমুদ্র সৈকতের নাম কক্সবাজার। অপরূপ সুন্দর বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার।

মহেশখালী, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া, মাতারবাড়ি, শাহপরী, সেন্টমার্টিন কক্সবাজারকে করেছে আরো আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন। এ জেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে মাতামুহুরী, বাঁকখালী, রেজু, কুহেলিয়া ও নাফ নদী। পর্যটন, বনজসম্পদ, মৎস্য, শুঁটকিমাছ, শামুক, ঝিনুক ও সিলিকাসমৃদ্ধ বালুর জন্য কক্সবাজারের অবস্থান তাই ভ্রমণবিলাসী পর্যটকদের কাছে সবার উপরে।

হিমছড়ি ও ইনানি বিচ

কক্সবাজারের ১২ থেকে ২২ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে রয়েছে দুটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান। একটি হিমছড়ি এবং অন্যটি হলো ইনানি। কক্সবাজার সমুদ্র থেকে মাত্র ২২ কিলোমিটার দূরে রয়েছে অন্যতম আকর্ষণীয় সমুদ্র সৈকত ইনানি সমুদ্র সৈকত। আর এই সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার পথে মাত্র ১২ কিলোমিটার গেলেই পাওয়া যাবে আরেক দর্শনীয় পর্যটন স্থান হিমছড়ি। কলাতলী থেকে জিপে চড়ে যেতে পারেন এ জায়গা দুটিতে। খুব সকালে গেলে জায়গা দুটি ঘুরে আবার দুপুরের মধ্যেই ফিরতে পারবেন কক্সবাজার শহরে। কক্সবাজার থেকে জিপে যেতে পারবেন এখানে।

নারিকেল জিঞ্জিরা

আকাশের নীল আর সমুদ্রের নীল সেখানে মিলেমিশে একাকার, তীরে বাঁধা নৌকা, নান্দনিক নারিকেল বৃক্ষের সারি আর ঢেউয়ের ছন্দে মৃদু পবনের কোমল স্পর্শ এটি বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন প্রবাল দ্বীপের সৌন্দর্য বর্ণনার ক্ষুদ্র প্রয়াস। বালি, পাথর, প্রবাল কিংবা জীব বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে জ্ঞান আর ভ্রমণপিপাসু মানুষের জন্য অনুপম অবকাশ কেন্দ্র সেন্টমার্টিন।

স্বচ্ছ পানিতে জেলি ফিশ, হরেক রকমের সামুদ্রিক মাছ, কচ্ছপ, প্রবাল বিশ্ব রহস্যের জীবন্ত পাঠশালায় পরিণত করেছে সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকাকে। এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।

কক্সবাজার জেলা শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে সাগর বক্ষের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ সেন্টমার্টিন। চারদিকে শুধু পানি আর পানি। আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। টেকনাফ থেকে ট্রলারে, লঞ্চে কিংবা জাহাজে যেতে লাগে দুই থেকে সোয়া দুই ঘণ্টা।

সাগরকন্যা কুয়াকাটা

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটা। একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট। বঙ্গোপসাগরের ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের বিশাল সমুদ্র সৈকত পৃথিবীর বিরল। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষাসহ সকল ঋতুতেই মৌসুমি পাখিদের কলরবে মুখরিত থাকে সমুদ্রতট। একমাত্র কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রে এসেই প্রকৃতির সৃষ্ট সাগরের নানা রূপ বিভিন্ন ঋতুতে উপভোগ করা সম্ভব। তাইতো দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটন পিপাসু বছরের বিভিন্ন  ঋতুতে বারবার ছুটে আসে কুয়াকাটায়। কৃত্রিমতার কোনো ছাপ নেই এখানে। সে কারণেই পর্যটকরা কুয়াকাটায় এসে প্রকৃতির নিয়মের সঙ্গে নিজের মনকে একাকার করে। প্রকৃতির স্বাদ নিজ উপলব্ধিতে আত্মস্থ করতে মরিয়া হয়ে উঠে। বিজড়িত দৃশ্য, যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের দৃশ্য অবলোকন করা ছাড়াও রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রায় দুইশ বছরের পুরোনো ঐতিহ্য শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার দর্শন করা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর::