বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২০, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ
Wellcome to our website...

উখিয়ায় বিজিবি’র সাথে বন্দুকযুদ্ধে ঘুমধুমের এক ইয়াবা পাচারকারী নিহত

নুর মোহাম্মদ সিকদার।।
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

 

কক্সবাজারের উখিয়ায় বিজিবির সাথে বন্দুকযুদ্ধে ঘুমধুম ইউনিয়ন বাইশফাড়ী এলাকার মংকিউ তংচঙ্গ‌্যা নামের এক মাদক পাচারকারি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে উখিয়ার বালুখালী পানবাজার এলাকায় নাফ নদীর তীরের কাকড়া ব্রীজ সংলগ্ন এলাকার বেড়ীবাধেঁ এ ঘটনা ঘটে বলে বিজিবির কক্সবাজার ৩৪ ব‌্যাটেলিয়ন অধিনায়ক লেফটেন‌্যান্ট কর্ণেল আলী হায়দার আজাদ আহম্মেদ জানান।ঘটনাস্থল থেকে ১লাখ ৪০ হাজার ইয়াবা,একটি দেশীয় লম্বা বন্দুক ও ৩টি গুলি উদ্ধার করেছে বিজিবি। বন্দুকযুদ্ধে নিহত ব‌্যক্তি হল নাইক্ষ‌্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু বাইশফাড়ী গ্রামের চাচিংহ্লা তংচঙ্গ‌্যার ছেলে মংকিউ তংচঙ্গ‌্যা (২৫)। বিজিবির দাবি নিহত মংকিউ তংচঙ্গ‌্যা এলাকার একজন চিহিৃত মাদক পাচারকারি। সে মায়ানমার সীমান্ত দিয়ে দীর্ঘদিন সংঘবদ্ধ চক্রের সাথে ইয়াবা পাচারে সক্রিয় ছিল।

লেঃ কর্ণেল আলী হায়দার বলেন, মায়ানমার সীমান্তের উখিয়ার বালুখালীর পানবাজার সংলগ্ন নাফ নদীর তীঁরে কাঁকড়া ব্রীজ এলাকার বেড়ীবাধঁ দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান আসার খবরে বিজিবির একটি দল অবস্থান করে। এক পর্যায়ে ভোররাত আনুমানিক ৩ঘটিকার সময় বেড়ীবাধঁ হয়ে সীমান্ত মায়ানমার থেকে ৫/৬ জন সন্দেহজনক লোক আসতে দেখে বিজিবির সদস‌্যরা থামার জন‌্য নির্দেশ দেন। এসময় সন্দেহজনক লোকজন বিজিবিকে লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি ছুড়তে থাকে। বিজিবির সদস‌্যরাও আত্নরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়ে। এক পর্যায়ে সন্দেহজনক ইয়াবা পাচারকারিরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে রাতের অন্ধকারে মায়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে একজনকে গুলি বিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।বিজিবির সদস‌্যরা গুলিবিদ্ধ ব‌্যক্তিকে উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তার পরিচয় শনাক্ত করেন। নিহত ব‌্যক্তির লাশ ময়নাতদন্তের জন‌্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে বলে জানান বিজিবি।উল্ল্যেখ্য নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমের তুমব্রু পশ্চিমকুল-জলপাইতলী টু চট্রগ্রাম সিন্ডিকেটের হয়ে ইয়াবা গুলো কুতুপালং ক্যাম্প অভ্যন্তরে পাচার করে নিয়ে যাচ্ছিল বলে স্থানীয়দের বরাতে গোপন সুত্রে জানা যায়।ওই সিন্ডিকেট প্রধান চট্রগ্রামে অবস্থান করে আপন সহোদর বড় ভাই,জলপাইতলীর এক মুদির দোকানদার,ঘুমধুম বিজিবি ক্যাম্প পাড়ার এক প্রতিবন্ধীর মনিটরিংয়ে মিয়ানমারের ফকিরাপাড়ার রোহিঙ্গা, কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পের জনৈক মুন্নাইয়া সিন্ডিকেট এসব ইয়াবা পাচার করে আনছিল।

শেয়ার করুন::
error1
Tweet 20
fb-share-icon20


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর::