শিরোনাম::
পরিবারের দাবী প্রতিপক্ষের সু-পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার নুরুল আবছার চৌধুরী টুডে করোনা পরিস্থিতি; করোনায় মৃত-৩৯জন এবং নতুন সনাক্ত-২৭৩৩জন ডিগ্রি কলেজেও সভাপতি পদে থাকতে পারবেন না সংসদ সদস্যরা সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত উখিয়া শিক্ষা অফিসে লাগামহীন দুর্নীতি থামাবে কে? উখিয়া নিউজ টুডে।। সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহায়তা চেয়েছেন দরিদ্র জোহরা! রামুর জোয়ারিয়ানালায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম‍্যমান চিকিৎসা-সেবা উদ্ভোধন করলেন ইউএনও প্রণয় চাকমা সমুদ্র সৈকত হতে ২.৫ টন বর্জ্য পরিষ্কার করলো “টিম কক্সবাজার” এর স্বেচ্ছাসেবীরা হাসি মুখ ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে সমুদ্র সৈকত পরিষ্কার অভিযান
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন

প্রবাসের ঈদে কষ্ট আছে প্রবাসী উৎসব নেই।

টুডে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
আপডেট : সোমবার, ২৫ মে, ২০২০

স্মরণকালে এমন ঈদ দেখেননি প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ঈদ মানেই প্রবাসীদের কাছে বাড়তি কিছু। তবে এবার একেবারেই উল্টো। করোনাভাইরাসের প্রভাবে প্রায় তিন মস বেকার বিশ্বের সকল শ্রমবাজারের প্রবাসী কর্মীরা। কাজ নেই, তাই বেতনও নেই। অনেকে আবার আছেন খাবার সংকটে। বিশেষ করে অনিয়মিত কর্মীরা আছেন বেশি বিপাকে। এই পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের কাছে ঈদ- নতুন এক কষ্ট। নিজেরা যেখানে চলতে পারছেন না, সেখানে পরিবারের জন্য কী করবেন?

মালয়েশিয়া প্রবাসী গাজিপুরের রহিম শেখ। প্রায় তিন মাস ধরে বেকার। কোম্পানী খাবার টাকা দিলেও বেতন নেই। হাত খরচের টাকাও নেই তার কাছে। এই সময়ে বাড়িতে টাকা পাঠাতে পারেননি তিনি। নিজে কোনমতে চললেও পরিবার নিয়ে বেশি বিপাকে এই প্রবাসী। উল্টো প্রবাসে যাওয়ার সময় যে টাকা খরচ করেছিলেন, তার পুরোটাই ছিল লোন করা। সেই কিস্তির টাকা দিতে না পেরে মামলার হুমকি পাচ্ছে তার পরিবার।

সৌদি আরব প্রবাসী সোলায়মান হোসেন জানান, পাঁচ মাস আগে তিনি পবাসী হয়েছেন। সৌদি আরবেব রিয়াদে একটি কোম্পানীতে কাজের কথা বলে তাকে আনা হয়। কিন্ত এখন পর্যন্ত ইকামা করে দেয়নি কথিত এজেন্ট। সাড়ে তিন লাখ টাকা খরচ করে এসেছেন বলেও জানান তিনি। এই পরিস্থিতিতে নিজেই চলতে পারছেন না। পাঁচ মাসে এক মাস একটি ক্লিনিং কোম্পানীতে কাজ করালেও বেতন পাননি।

এখন এজেন্টের ব্যবস্থাপনায় আছেন তার মতো ১৩ জন প্রবাসী। ছয় বছরের ছেলের জন্য নতুন জামা কিনেছিলেন সৌদি আরবের আরেক প্রবাসী আল কুদ্দুছ। গেল মার্চে তার দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু করোনার প্রভাবে সব এখন এলোমেলো। প্রায় চার মাস বেকার থাকায় এখন বাড়িতে টাকা পাঠাতে পারছেন না তিনি। ঈদ তো দূরের কথা পরিবাবের নিয়মিত খরচ কিভাবে চালাবেন সেটাই বড় ভাবনা কুদ্দুছের।

সকল দেশেই প্রবাসীদের প্রায় একই অবস্থা। ঈদ নিয়ে খুব একটা আয়োজন নেই তাদের। সামনের দিনগুলোতে কিভাবে চলবেন সেই ভাবনা অনেকের। প্রবাসীদের কেউ কেউ বলছেন, করোনার এই সময়ে বেকার থেকে হাতের টাকা সব খরচ হয়ে গেছে। এখন খাবার সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কায় তারা। এমন বাস্তবতা দেশে থাকা পরিবারগুলোকে বিশেষ সহায়তার আওতায় আনতে সরকারের কাছে দাবি জানান তারা।

এই পরিস্থিতিতে দেশে ফিরতে বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহবান জানিয়েছেন অনেকে। নিজেদের টাকায় দেশে ফেরার কথাও অনেকেই জানান প্রতিবেদকের কাছে। বিশেষ করে অনিয়মিত কর্মীরা বেশি সমস্যায় রয়েছেন বিভিন্ন দেশে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর::