শিরোনাম::
আজ জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী তরুন ব্যবসায়ী জসিমকে হত্যা মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে মানববন্ধন এলাকাবাসী জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ‌’উপজেলা প্রেসক্লাব উখয়ার কর্মসূচী মেজর সিনহা হত্যা মামলায় ৭ আসামি র‌্যাবের রিমান্ডে ১৫ আগষ্ট পালনে উখিয়ায় মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগের প্রস্তুতি সভা,দিনব্যাপী অনুষ্ঠান মালার সিদ্ধান্ত টেকনাফে মাদ্রাসাছাত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপিতে খালেদাকে অবসরে ও জাইমাকে নেতৃত্বে আনার পরামর্শ টেকনাফ কেরুনতলী হতে ইয়াবাসহ আটক-১ চাঁদা না দেওয়ায় বালুখালীতে সিএনজি লাইনম্যানের উপর সন্ত্রাসী হামলা! বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ উদ্বোধন করল নয়াবাজার আদর্শ ঐক্য পরিষদ
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২০, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন

করোনা সংকট ভুলে গিয়ে; পর্যটন নগরীতে দেখা মিলছে পর্যটকদের

প্রতিবেদক::
আপডেট : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত বেষ্টিত; পর্যটন নগরী কক্সবাজার। যতই দেখি মন জুড়িয়ে যায়। দেখার যেন শেষ নেই এর সৌন্দর্যের। আর এই সৌন্দর্যের টানে প্রকৃতি প্রেমি পর্যটকরা ধীরে ধীরে ভীড় করতে শুরু করেছে নয়নাভিরাম এই সমুদ্র সৈকতে।

গত ৪ মাস আগে কভিড-১৯ এর কারণে কক্সবাজার শহর ও পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে পর্যটকদের আসা যাওয়া বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল প্রশাসন কর্তৃক। ১১জুলাই সারাদেশে লকডাউন খুলে দেওয়ার পরও কিন্তু খুলে দেওয়া হয়নি পর্যটন জায়গাগুলো। রয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞাও।

তবে এতসব কিছুর পরও- পর্যটন নগরীর কিছু কিছু জায়গায় দেখা মিলছে বিভিন্ন পর্যায়ের পর্যটকদের। এদের মধ্যে অল্প কিছু সংখ্যক ভ্রমণকারী এসেছেন জেলার বাহির থেকে। তবে বেশিরভাগই এনজিওতে কর্মরত স্থানীয়ভাবে বসবাসকারী এবং করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউনে ভোগা স্থানীয় জনসাধারণ।

কক্সবাজার দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতের একটি অংশ ইনানী সমুদ্র সৈকত ও পাটোয়ারটেক রানী সৈকত। গতকাল শনিবার ১৮জুলাই ইনানী সমুদ্র সৈকত, পাটোয়ারটেক সমুদ্র সৈকতে অনেক মানুষের আনাগোনা। দেখা মিলেছে অল্প সংখ্যক পর্যটক। তবে অহরহ দেখা গিয়েছে বিভিন্ন এনজিও-র কর্মজীবি লোকজন। সমুদ্র সৈকতের মেরিন ড্রাইভের পাশে কয়েকটি দোকানপাট খোলা রয়েছে। ইনানী সমুদ্র সৈকতে একটি বা দুটি দোকান খোলা রয়েছে। তাও আবার লোকায়িতভাবে পর্যটকদের জিনিসপত্র বিক্রি করছে। পাটোয়ারটেক সমুদ্র সৈকতে প্রায় সব ধরণের দোকান খোলা রয়েছে। ইনানী সমুদ্র সৈকতের হোটেল গুলো খোলা রয়েছে।

মিশন লা বেলা রির্সোট এর জিএম বদিউল আলম সোহাগ এর সাথে কথা বললে তিনি জানান- তাদের রিসোর্ট এখন খোলা রয়েছে। হোটেলের প্রায় কর্মচারী করোনা পরিস্থিতির কারণে নিজ নিজ বাসস্থানে চলে যাওয়াতে কর্মচারী কম রয়েছে। তারা করোনা সচেতনতা অবলম্বন করে তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ইনানী পেবল স্টুন সী রিসোর্টের জিএম মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন- করোনার কারণে তাদের সব কিছু এলোমেলো হয়ে গিয়েছে। এখন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে সুন্দর ভাবে গুছানোর কাছ চলছে। তারা সবকিছু গুছিয়ে ঈদের পর থেকে আগের মতো কাজ শুরু করতে চান।

এদিকে লকডাউন পর্ব শিথিল করার পরও পর্যটন কেন্দ্র সমূহে স্থানীয় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে পর্যটন নির্ভর ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের ব্যবসায়ীরা।

কয়েকজন বিক্রেতা তাদের মতামত প্রকাশ করতে গিয়ে জানিয়েছেন- প্রশাসনের প্রতি তাদের আকুল আবেদন সমুদ্র সৈকতের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হউক। কারণ- তাদের সামান্য কিছু আয়ের ফলে তাদের পরিবারের লোকজনের মুখে খাবার জুটে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর::