শিরোনাম::
কক্সবাজার পৌরসভায় জমির বিরোধ নিয়ে ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের অস্ত্র মহড়া ও গুলি বর্ষণ আহত ১৫ টেকনাফের বাহারছড়ায় দুগ্ধজাত শিশু রেখে মা উধাও বিজিবি অভিযান চালিয়ে লেদা সীমান্ত থেকে সাড়ে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাব সভাপতি’র কৃতজ্ঞতা সিইএইচআরডিএফ’র বিশ্ব শান্তি দিবস উদযাপন। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হোয়াইক্যং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হবেন হেলাল সিকদার। হ্নীলায় জনগুরুত্বপূর্ণ ষ্টেশন-পুরান বাজার সড়ক দ্রুত সংস্কার দাবী। টেকনাফের রঙ্গিখালীতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত তৈয়বের দাফন সম্পন্ন ; ঘাতকদের দ্রুত গ্রেফতার দাবী মোবাইল চুরির অভিযোগে ‘অপু ভাই’য়ের সহযোগী গ্রেফতার যাচাই.কমে ৩৬ টাকা কেজিতে মিলবে পেঁয়াজ!
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৫২ অপরাহ্ন

দেশে শিক্ষিতদের এক-তৃতীয়াংশই বেকার

প্রতিবেদক::
আপডেট : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

দেশের এসএসসি থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী তরুণদের এক-তৃতীয়াংশ পুরোপুরি বেকার- এমন তথ্যই উঠে এসেছে সরকারি স্বায়ত্তশাসিত গবেষণা সংস্থা ‘বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান’- বিআইডিএস-এর গবেষণায়। এতে দেখা গেছে, দেশে এসএসসি থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী তরুণদের এক-তৃতীয়াংশ বা ৩৩.১৯ শতাংশ পুরোপুরি বেকার। 
বিআইডিএস এর গবেষণার আলোকে শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ডয়েচে ভেলে বাংলা। গত ডিসেম্বরে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সি ১৫ হাজার ২৫ জন শিক্ষিত তরুণ ফেসবুক ও ইমেলের মাধ্যমে এই জরিপে অংশ নেন।
জরিপে দেখা গেছে, শিক্ষাজীবন শেষে এক থেকে দুই বছর পর্যন্ত বেকার ছিলেন ১১.৬৭ শতাংশ, দুই বছরের চেয়ে বেশি সময় ধরে বেকার ১৮.০৫ শতাংশ এবং ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত বেকার ১৯.৫৪ শতাংশ। এছাড়া প্রায় ৩৬.৬ শতাংশ স্নাতক ডিগ্রিধারী বেকার। স্নাতকোত্তরদের মধ্যে এই হার ৩৪.৩ শতাংশ। আর এসএসসি ও এইচএসসি পাস করাদের মধ্যে বেকারত্বের হার যথাক্রমে ২৬.৭৯ ও ২৭.৯৫ শতাংশ।
গবেষণা বলছে, পড়াশোনা শেষ করার ছয় মাসের মধ্যে চাকরি পেয়েছেন অর্ধেক তরুণ (৫০.৭৪)। ছয় মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে ৩১ শতাংশকে। আর ১৮ শতাংশ তরুণকে দুই বছরের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।
মাস্টার্স পাস করার দুই বছর পরও বেকার ছিলেন ১৯.২১ শতাংশ। অনার্সের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি ৮.৭৩ শতাংশ। অনার্সে প্রথম শ্রেণি পাওয়াদের ১৭.২১ শতাংশ শিক্ষার্থী দুই বছরেরও বেশি সময় কর্মহীন অবস্থায় ছিলেন। মাস্টার্সের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি আরও বেশি, ২৬.৮ শতাংশ!
জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা মাস্টার্স পাস করেছেন তাদের ২৮.৭৫ শতাংশের মাসিক বেতন ৪০ হাজার টাকার উপরে। আর অনার্স ডিগ্রিধারীদের ১৮.২ শতাংশ মাসে ৪০ হাজারের বেশি বেতন পান। অর্থাৎ মাস্টার্স করলে বেশি বেতনে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
মাস্টার্স পাস করে মাসিক ১০ হাজার টাকার নীচে বেতনে চাকরি করছেন ৫.৯২ জন৷। আর ১১.৪৩ শতাংশ অনার্স ডিগ্রিধারীর বেতন মাসে ১০ হাজার বা তার চেয়ে কম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর::