শিরোনাম::
কক্সবাজার পৌরসভায় জমির বিরোধ নিয়ে ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের অস্ত্র মহড়া ও গুলি বর্ষণ আহত ১৫ টেকনাফের বাহারছড়ায় দুগ্ধজাত শিশু রেখে মা উধাও বিজিবি অভিযান চালিয়ে লেদা সীমান্ত থেকে সাড়ে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাব সভাপতি’র কৃতজ্ঞতা সিইএইচআরডিএফ’র বিশ্ব শান্তি দিবস উদযাপন। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে হোয়াইক্যং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হবেন হেলাল সিকদার। হ্নীলায় জনগুরুত্বপূর্ণ ষ্টেশন-পুরান বাজার সড়ক দ্রুত সংস্কার দাবী। টেকনাফের রঙ্গিখালীতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত তৈয়বের দাফন সম্পন্ন ; ঘাতকদের দ্রুত গ্রেফতার দাবী মোবাইল চুরির অভিযোগে ‘অপু ভাই’য়ের সহযোগী গ্রেফতার যাচাই.কমে ৩৬ টাকা কেজিতে মিলবে পেঁয়াজ!
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৩৫ অপরাহ্ন

রোহিঙ্গা নেতা’র ছেলে আ.লীগ আহবায়ক ক্যাম্পে ক্যাম্পে মোনাজত!

প্রতিবেদক::
আপডেট : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : রোহিঙ্গাদের ‘বিপ্লবীনেতার ছেলে’ হয়েছেন উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক। সেই খুশিতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মসজিদে মসজিদে চলছে শুকরিয়া মোনাজাত! রাজা শাহ আলম নামের রোহিঙ্গা নেতার ওই ছেলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন- এমন স্বপ্নও দেখছেন রোহিঙ্গারা। এই ঘটনায় কক্সবাজারজুড়ে তুমুল সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি আহবায়ক করা হয়েছে শাহা আলম চৌধুরী ওরফে রাজা শাহ আলমকে। রাজা শাহা আলম রোহিঙ্গাদের ‘বিপ্লবী নেতা’ কাশিম রাজার ছেলে।
সুত্র মতে, ৬০ দশকে মিয়ানমার সরকারের চাপের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন কাশিম রাজা। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানীর পাহাড়ি এলাকায় স্বপরিবারে আশ্রয় নেন কাশিম রাজা। পরবর্তীতে সেই এলাকাতেই বসতি স্থাপন করে বসবাস শুরু করেন রোহিঙ্গাদের বিপ্লবি এই নেতা। সেখানেই জন্ম হয় কাশিম রাজার ৩ ছেলে ও ২ মেয়ে। সেই কাশিম রাজার প্রথম ছেলে হলেন শাহা আলম চৌধুরী ওরফে রাজা শাহ আলম। ৭০ দশকে মিয়ানমারের গুপ্তচররা উখিয়ার ইনানীর পাহাড়ী এলাকায় কাশিম রাজাকে হত্যা করে।
রোহিঙ্গা নেতা কাশিম রাজার ছেলে রাজা শাহ আলম কক্সবাজারে মাছের ব্যবসা করতেন। এক সময় তিনি কক্সবাজারের লাবনী পয়েন্টে হোটেল মিডিয়া ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি হোটেল নির্মাণ করেন। হোটেল ব্যবসার সূত্রে ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগ নেতাদের সংস্পর্শে চলে আসেন তিনি।
অভিযোগ রয়েছে, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে রাজা শাহা আলম কক্সবাজার সার্কিট হাউসের নিচে একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করেন। সেই ভবনের একটি ফ্ল্যাট উখিয়া-টেকনাফের সাবেক ‘বিতর্কিত’ সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি ও আরেকটি ফ্ল্যাট তৎকালিন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ সিআইপিকে নামমাত্র মূল্যে উপহার দেন। সেই সুবাদে জড়িয়ে পড়েন জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে।
কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ সুত্র মতে, গত ৯ সেপ্টেম্বর উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ঘোষণা করে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ। এতে আহবায়ক করা হয় শাহা আলম চৌধুরী ওরফে রাজা শাহ আলমকে। এই ঘটনায় উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পজুড়ে শুকরিয়া মুনাজাত হলেও চরম অসন্তোষ চলছে উপজেলার আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর::