টেকনাফ হোয়াইক্যং ভূমিধসে মৃত ব্যাক্তির পরিবারের পাশে চেয়ারম্যান আনোয়ারী |

শেয়ার করুন-

ওমর ফারুক টেকনাফ ।

গত চার পাঁচ দিন ধরে অতিবর্ষনের ফলে টেকনাফ উপজেলা ব্যপক ক্ষয়ক্ষতির স্বীকার হয়। সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ী, বসতভিটা এবং রাস্তাঘাটের চরম অবনতি ঘটে। পাহাড়ী এলাকায় ভূমিধস হয়ে বেশকিছু মানুষজনের হতাহত ঘটে। এদিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উলুবনিয়া রাস্তার মাথার নিবাসী রকিমুল আলম নামে একব্যাক্তির মৃত্যু ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিবার পরিজন ও আত্মীয়- স্বজনকে দেখতে ছুটে যান ১নং হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী। তিনি পরিবারকে শান্তনা দিয়ে বলেন, পরিবারের ক্ষয়ক্ষতি এবং জীবনের স্বাভাবিক অবস্হায় ফিরে আসার জন্য পরিষদের পক্ষ থেকে সকল ধরণের সহযোগিতা করা হবে। তিনি ভূমিধসে মৃত ব্যাক্তির পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ২৫০০০ টাকা এবং ইউনিয়ন পরিষদের ৫০০০ টাকাসহ মোট ৩০০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

অপরদিকে তিনি হ্নীলা ইউনিয়নে ভিলেজার পাড়ায় পাহাড়ধসে একই পরিবারের ৫ জন মৃত পরিবারের খোঁজ-খবর নিতে ছুটে যান জেলা জামায়াতের আমীর ও ১নং হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী। তিনি নিহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।সেখানে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, অত্র এলাকার মানুষজন খুবই দরিদ্র প্রকৃতির। তাদের বসতি স্থাপনের জন্য নিজস্ব কোন জায়গা-জমি নেই। তারা নিরুপায় হয়ে সরকারী খাস জমি এবং পতিত জমিতে বসবাস করে। অতি দরিদ্র হওয়ার কারণে পাহাড়ী এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় বসতি স্থাপন করলে তাদেরকে অনেক চেষ্টা করার পরও সেখান থেকে তুলে ও দেয়া যায়না। তবে উপজেলা প্রশাসনসহ আমরা যারা জনপ্রতিনিধি রয়েছি তারা দূর্যোগের সময় মাইকিং করে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে তাদেরকে সতর্ক করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যায়। সতর্ক করার ক্ষেত্রে কোন ত্রুটি থাকে না।
সাংবাদিক প্রশ্ন করলে এসব মানুষকে স্থায়ী বসবাসের জন্য এবং নিরাপদে বসবাসের জন্য কি করা প্রয়োজন? জবাবে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন, এই রকম অতি বর্ষন হলে, বন্যা বা সাইক্লোন হলে নয় বরং এসব ঝুকিপূর্ণ পরিবারকে আগেই চিহ্নিত করে তাদেরকে নিরাপদ ও স্থায়ীভাবে বসবাস করানোর জন্য সরকারকে কাজ করতে হবে।বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম কক্সবাজার জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক জাহেদ হোসেন বলেন এই বন্যায় টেকনাফের হ্নীলা ও হোয়াইক্যংয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সাধারণ মানুষের জীবন-যাপন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। এই ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠার জন্য সরকারী বেসরকারী সবাইকে সহায়তা প্রদান করার জন্য এগিয়ে আসার আহবান জানান।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন হ্নীলা আল ফালাহ একাডেমীর অধ্যক্ষ নুরুল হোসাইন সিদ্দিকী এবং মজিদিয়া মাদরাসার শিক্ষক আব্দুস সোবহান ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
হোয়াইক্যং উলুবনিয়া পানিবন্ধি ৩২০ পরিবারকে ত্রান বিতরণ করেন ১নং হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী।


শেয়ার করুন-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *