প্রিয় বন্ধুর চোখে একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার করুন ইতিহাস |

শেয়ার করুন-

 

আব্দুল লতিফ বাচ্চু।
কোথায় আজ আমাদের বিবেক???
একজন বীর মুক্তিযুদ্ধা রিক্সা চালায় কাকার বাড়ি বরিশাল আমি ঢাকা হাতিরপুল মোতালেব প্লাজা থেকে কাজ সেরে আরামবাগ আসবো.. কাকা কে জিজ্ঞেস করলাম যাবেন কাকা বললো যাবো…. বললাম ভাড়া কতো কাকা। ওনা কে দেখে কেমন জানি খুব মায়া লাগলো জিজ্ঞেস করলাম কাকা বাড়ি কোথায় বললো বরিশাল আপনার ছেলে মেয়ে নেই বললো বাবা দু ‘মেয়ে, একছেলে আজ হারিয়ে গেছে ২০ বছর।

তাকে আর খোঁজে পাইনি… তাই রিক্সা চালাই… হুট করে যখন বললো বাবা আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা.. তখন তার প্রতি সম্মান আরো বেড়ে গেলো

তখন আমার ভাইপো জিজ্ঞেস করলো দাদু ভাতা পান না? তখন বললো আমিতো ভাতার জন্য যুদ্ধ করিনি দেশের জন্য, দেশমাতৃকার জন্য।
গিয়েছিলাম আমার কাছে এক লক্ষ টাকা ঘুষ চাই… তাই আর নাম উঠাতে পারিনি… ওনি আগরতলা থেকে ট্রেনিং নিয়ে ৯ নাম্বার সেক্টর এ যুদ্ধ করেছেন… তাই কাকার কথা গুলো ভিডিও করলাম এবং ছবি উঠালাম… কাকা কে বললাম কাকা আপনার নাম্বারটা দেবেন? বললো রিক্সার পেছনে লেখা আছে ছবি উঠিয়ে নাম্বারটা নিলাম..আমাদের দেশে এ রকম হাজারো মুক্তিযোদ্ধারা এ ভাবে অভিমান করে বসে আছে।
সত্যি কারের মুক্তিযোদ্ধারা।
আমার লিখা কাউকে হেও করার জন্য নয়.. তাই জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন টাকার কাছে কি হেরে যাবে আসল যোদ্ধারা? এখন টাকা দিলে পাকিস্তানের নাগরিকরা ও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নাম লিখাতে পারবে।
অথচ স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি আজকে ক্ষমতার মসনদে কিন্তু প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা অনেকেই আজকে অবহেলিত কেউ রাস্তায় রিক্সা ভ্যান চালক, আর কেউ বা দিনমজুর, যাদের আত্মত্যাগ আত্মাহুতির মধ্য দিয়ে আজকের স্বাধীন সার্বভৌমত্ব বাংলাদেশ।
তাহলে কেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলিত নিষ্পেষিত এবং মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য হবে না?


শেয়ার করুন-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *