নিজস্ব প্রতিবেদক।

দেশের সীমান্ত এলাকা মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে বানের পানির মত আসছে গরু-মহিষ। মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে আসা গরু মহিষ ঘুমধুম সীমান্তের তুমব্রু এলাকার বাসিন্দা রেজাউল, তুমব্রু উলুবনিয়া পাড়ার ওমর হামজা মন্টু(ক্যারিং ইনচার্জ)কুতুপালং বাজার এলাকার স্থানীয় একটি চোরাই সিন্ডিকেট ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে দেশে অবৈধভাবে আসছে হাজার হাজার চোরাই গরু ও মহিষ। এসব মহিষ-গরু উখিয়ার বিভিন্ন গরু বাজারের ক্রয়-বিক্রয় রিসিট নিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে যাচ্ছে উখিয়া বাজারের ইজারাদার আবদুর রহিম সিন্ডিকেট। অন্যদিকে প্রতিনিয়ত চোরাই পথে আসা পশু থেকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে।মিয়ানমার অভ্যন্তরে সরকার ও আরাকান মধ্যকার ঘটনায় এপারে সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় স্থানীয়দের যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ থাকার পরেও এসব মানছেনা সীমান্ত ক্রস করে চোরাই গরু-মহিষ আনা চোরাকারবারিরা। সম্প্রতি এসব চোরাই গরু মহিষ আনার পথে মো:শফি নামের( শইফ্যা মাঝি)ঘুমধুম ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড’র বাসিন্দা কে মহিষে মেরে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। সে বর্তমানে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।আহত শফির সাথে দফারফা চলছে,সুস্থ্য হওয়া পর্যন্ত কিছু টাকা দিয়ে দ্রুত মহিষ গুলো সরিয়ে নেওয়ার জন্য।

মায়ানমার থেকে অবৈধভাবে আসা গরু-মহিষের বৈধতা দিচ্ছে উখিয়া ফলিয়াপাড়ার আব্দুর রহিম চক্র। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা জোরদারের আহ্বান জানান সচেতন মহল।

সূত্র জানান, অবৈধভাবে মিয়ানমার থেকে আসা গরু-মহিষকে বড় অংকের টাকার বিনিময়ে বৈধতা দিচ্ছে উখিয়া বাজারের ইজারাদার আব্দুর রহিম। যেখানে ক্রেতা-বিক্রেতার স্বাক্ষর নেই৷ এভাবে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসা গরু মহিষকে বৈধতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

By Editor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *